ফোটন কি?

ফোটন
ভরহীন কণা। বিগ ব্যাং তথা কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তত্ত্ব অনুযায়ী
হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিস্ফোরণের পর মুহুর্তে মহাজগতের শুরুতে সর্বপ্রথম
যে সৃষ্টি সত্বার উদ্ভব ঘটেছিল তার নাম ভরশুন্য আলোর কণা- যাকে বৈজ্ঞানিক
পরিভাষায় ফোটন বলা হয় যা বিগ ব্যাং পরবর্তী শুন্য থেকে শক্তি অর্জন করে হিগস
ফিল্ডের মাধ্যমে ভরত্ব লাভ করে যার বৈজ্ঞানিক নাম হিগস বোসন পারটিকেল। মহাজাগতিক
তাবৎ দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান অতিপারমাণবিক অণু কণাসমৃদ্ধ গ্রহ নক্ষত্র, ছায়াপথ,
নক্ষত্র সবই হিগস বোসন কণা থেকে উৎসারিত বলে ২০১২ সালের ৪ জুলাই সার্ণে কর্তৃক
প্রমাণিত হয়েছে।
জার্মান
পদার্থ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের তত্ত্বমতে, গতিশীল ফোটনের ভরবেগ আছে। বলে
উল্লেখ করলেন আইনস্টাইন। ভরবেগ ও শক্তিসম্পন্ন কণাকে তিনি তুলনা করলেন কামানের
গোলার সঙ্গে। কামানের গোলা প্রচণ্ড বেগে কোনো বস্তুকে আঘাত হানে। গুঁড়িয়ে দেয় সেই
বস্তুকে। ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় আঘাত পাওয়া বস্তুটি। সেই বস্তুর টুকরা টুকরা অংশ
প্রবল বেগে ছিটকে বেরিয়ে যায়। আইনস্টাইন বলেন, আলোর ফোটন কণা প্রবল
বেগে কামানের গোলার মতো গিয়ে আঘাত হানে ধাতুর পরমাণুতে। তখন পরমাণুর ভেতর থেকে
ছিটকে বেরিয়ে যায় ইলেকট্রন কণা।
Comments
Post a Comment