Posts

Information Bank of Science-Tech

                                                       Nature, N atural and  Naturalists   Not visible to the opened eye of the world, but the living being who perceives the creative existence of the being in the layers of creation, his name is God, Allah. Naturalists also feel the existence of a kind of creative entity in the layers of creation and say the following in various words of greeting: World Nature> Nature's Infinite Gift-Contribution> Nature's Grace> Nature's Revenge etc. Moreover, any object without human intervention is called natural, unadulterated, primitive, original, etc. There is an invisible entity outside the visible material world which is simultaneously the creator, the proper custodian of creation, the guardian whose religious name is God,  Allah and the worldly name is Nature.  After death, our b...

Science-Tech News

Image
Kazakh Scientists Create More Affordable Bone Regeneration Biomaterial BY  SANIYA BULATKULOVA   in   NATION   on  11 MAY 2022 NUR-SULTAN – The scientists from the Kazakh Institute of Combustion Problems produced a biomaterial for bone regeneration, called hydroxyapatite, which is three times cheaper than its foreign alternatives, reports the Kazakh Ministry of Education and Science. It is  similar to the human hard tissues in morphology and composition. Photo credit: Kazakh Ministry of Education and Science Hydroxyapatite is a naturally occurring form of calcium phosphate mineral and an essential element in bone regeneration. It is highly compatible with living tissues and is widely used in bone and teeth replacement and repair. Foreign companies sell high-quality hydroxyapatite at nearly 32,000 tenge (US$75) per gram, while the local alternative costs 10,000 tenge (US$23) per gram. Domestic companies have purchased the first batch of biomaterial. According...

ইসলামী বিজ্ঞান-প্রযুক্তি তথ্য ব্যাংক (বাংলাদেশ)

  এক নজরে কোয়ান্টামের প্রকৃতি-বৈশিষ্ট্য ► কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানকে ব্যবহার করে বিশাল কোনো বস্তু যেমন তারা ও ছায়াপথ এবং   মহাবিস্ফোরণ সংক্রান্ত   বিশ্বতত্ত্বমূলক   ঘটনার সুক্ষ্ণতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা যায়। ► পদার্থবিজ্ঞানের সুক্ষ্ণতাত্ত্বিক যেসব ক্ষেত্রে চিরায়ত নিউটনীয় বলবিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না , সেসব ক্ষেত্রে পদার্থগুলির ভৌত আচরণ সম্পর্কে ধারণা পাবার জন্য পদার্থবিজ্ঞানীরা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান ব্যবহার করে থাকেন। ► পারমাণবিক অথবা তার চেয়েও ছোট মাপের কোনো ভৌত ব্যবস্থায় , খুব নিম্ন অথবা খুব উচ্চ শক্তিতে , অথবা অতিশীতল তাপমাত্রায় চিরায়ত এবং কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের বিশ্লেষণের মধ্যে প্রায়শই পার্থক্য দেখা যায়। ► কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান রসায়ন , আণবিক জীববিজ্ঞান , ইলেক্ট্রনিক্স , কণা পদার্থবিজ্ঞান , ন্যানোপ্রযুক্তি এবং প্রযুক্তিবিদ্যার আধুনিক উন্নয়নের ভিত্তি , এবং বিজ্ঞানের এই শাখাগুলো বিগত পঞ্চাশ বছরে পৃথিবীকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে রূপান্তরিত করেছে। যে প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম মৌল বানিয়ে থাকেন প্রকৃতির কোথাও নেই-এমন মৌল ল্যাবরেটরিতে প...

আধুনিক বৈজ্ঞানিক সৃষ্টিতত্ত্বের আলোকে মহাবিশ্বের জন্মোতিহাস

  আধুনিক বৈজ্ঞানিক সৃষ্টিতত্ত্বের আলোকে মহাবিশ্বের জন্মোতিহাস   বর্তমান বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বিষয়ে তথ্য দিতে গিয়ে মানবজাতিকে এ মর্মে অবহিত করেছে যে , প্রায় ১৫০০ কোটি বৎসর পূর্বে কোন এক মহা আলোক শক্তির মহাউৎস হতে উৎসারিত হয়ে অদৃশ্য প্রায় মহাসূক্ষ্ম বিন্দু 10- ³³ cm. আকার ধারণ করে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামক বিপুল পরিমাণ আলোক শক্তি মহাসঙ্কোচনের মাধ্যমে সংকুচিত হয়ে প্রায় ১০ , ০০০ কোটি কোটি কোটি কোটি ডিগ্রি কেলভীন ( K) তাপমাত্রা লাভ করে মাত্র 10 - ⁴³ sec. অর্থাৎ এক সেকেন্ডের ১০ কোটি , কোটি কোটি কোটি কোটি ভাগের মাত্র এক ভাগকাল সময়ের মধ্যে মহাবিস্ফোরণ Big Bang) এর মাধ্যমে এ মহাবিশ্বের সূচনাকাল শুরু হয়ে যায় ।   Big Bang মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ঐ মতবাদ গবেষণাকারী বিজ্ঞানীগণ Computer simulation'- এর মাধ্যমে ব্যাপক গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দেন যে , মূলতঃ highest energetic radiation' তথা কল্পনাতীত শক্তিশালী মহা আলোর গোলক । ‘ আলোকশক্তিই প্রথমে ঘনীভূত হয়ে মহা বিন্দুতে প্রবেশ করে এবং পরবতা মুহুতে স...

আলোক-তড়িৎক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট

  আলোক-তড়িৎক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট ১৮৩৯ সাল। ফরাসী বিজ্ঞানী এডমন্ড বেকরেল এক আশ্চর্য ঘটনা লক্ষ করলেন। তিনি সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছিলেন। দেখেন বৈদ্যুতিক কোষের ওপর আলো একটা ভালো প্রভাব ফেলে। কিন্তু এ ঘটনার ব্যাখ্যা তাঁর কাছে ছিল না। আর এটা নিয়ে তিনি খুব বেশি মাথাও ঘামাননি। কিন্তু এটাই ছিল কোনো বিজ্ঞানীর পর্যবেক্ষণ করা প্রথম আলোক-তড়িৎক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট। তিন দশক পর ১৮৭৩ সালে বিট্রিশ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার উইলাফবি স্মিথ টেলিফোন অপারেটে হিসেবে  ট্রান্স আটলান্টিক টেলিফোন ক্যাবলের রোধ পরীক্ষা করার দায়িত্ব পালনকালে তিনি রোধক পরিমাপের একটা যন্ত্র ব্যবহার করতেন। রোধকটা ছিলি সেলিনিয়ামের। একদিন তিনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন , বৈদুতিক রোধকের নতুন এক ব্যাপার। আগে কেউ জানতেন না এ ব্যাপারটা। তিনি লক্ষ্য করেন , সেলিনিয়াম রোধকের ওপর সূর্যের আলো পড়লে বেড়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ প্রবাহ। অর্থাৎ কমে যাচ্ছে রোধকের মান। হয়তো মনে হতে পারে , সূর্যের তাপের কারণে এমনটা হচ্ছে। তড়িৎগতিবিদ্যা কিন্তু উল্টো কথা বলে , তাপ বাড়লে বেড়ে যায় রোধেকের রোধকত্ব। ফলে বিঘ্ন ঘটে স্বাভাবিক তড়িৎ প্রবাহে। তাহলে ...

আইনস্টাইন এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

  আইনস্টাইন এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব: কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে আইনস্টাইনের একটা শত্রুতা শুরু থেকেই লেগে ছিল। আইনস্টাইন ঘোর বাস্তববাদী বিজ্ঞানী ছিলেন। মিসির আলির মত তিনিও কোনো অনিশ্চয়তায় বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু মিসির আলি যেমন তাঁর যুক্তিতর্ক দিয়ে সব মিস্টিরি সলভ করতে পারেন নি তেমনি আইনস্টাইন ও তাঁর জীবনে কোয়ান্টাম তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করতে পারেন নি। আর প্রতিবেদনের শুরুর কথাটাও তিনি বলেছিলেন এই কোয়ান্টাম তত্ত্ব নিয়েই। যাই হোক , পুরোপুরি মানতে না পারলেও আইনস্টাইনকেও এই তত্ত্ব ব্যবহার করতে হয়েছিলো একবার। প্লাঙ্ক যখন কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ সমস্যার সমাধান করছেন তখনই আরেকটা সমস্যা এসে হাজির হয় পদার্থবিজ্ঞানের জগতে। সেটা হলো আলোক তড়িৎক্রিয়া। ধাতব পাতের উপর আলো ফেললে সেই পাত থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। কেন ? এর ব্যাখ্যা কি ? নিউটনের গতিতত্ত্বের পক্ষে এর ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হলো না। ম্যাক্সওয়েলও তাঁর বিদ্যুতচুম্বকীয় তত্ত্বের মাধ্যমে এর কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারলেন না। এখানে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার , তখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা আলোকে শুধু তরঙ্গই ভাবতেন । কণাতত্ত্ব বহু আগেই বাতিল হয়ে গিয়েছিল। বি...