আধুনিক বৈজ্ঞানিক সৃষ্টিতত্ত্বের আলোকে মহাবিশ্বের জন্মোতিহাস
আধুনিক বৈজ্ঞানিক
সৃষ্টিতত্ত্বের আলোকে মহাবিশ্বের জন্মোতিহাস
বর্তমান
বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বিষয়ে তথ্য দিতে গিয়ে মানবজাতিকে এ মর্মে অবহিত
করেছে যে, প্রায় ১৫০০ কোটি বৎসর পূর্বে কোন এক
মহা আলোক শক্তির মহাউৎস হতে উৎসারিত হয়ে অদৃশ্য প্রায় মহাসূক্ষ্ম বিন্দু
10-³³ cm. আকার ধারণ করে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামক বিপুল পরিমাণ আলোক
শক্তি মহাসঙ্কোচনের মাধ্যমে সংকুচিত হয়ে প্রায় ১০,০০০
কোটি কোটি কোটি কোটি ডিগ্রি কেলভীন (K) তাপমাত্রা লাভ করে
মাত্র 10-⁴³ sec. অর্থাৎ এক সেকেন্ডের ১০
কোটি, কোটি কোটি কোটি কোটি ভাগের মাত্র এক ভাগকাল সময়ের
মধ্যে মহাবিস্ফোরণ Big Bang) এর মাধ্যমে এ মহাবিশ্বের সূচনাকাল
শুরু হয়ে যায় ।
Big Bang মতবাদ
প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ঐ মতবাদ গবেষণাকারী বিজ্ঞানীগণ Computer simulation'-এর মাধ্যমে ব্যাপক গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দেন যে, মূলতঃ highest energetic radiation' তথা
কল্পনাতীত শক্তিশালী মহা আলোর গোলক। ‘আলোকশক্তিই প্রথমে ঘনীভূত
হয়ে মহা বিন্দুতে প্রবেশ করে এবং পরবতা মুহুতে সেই বিন্দুটি মহাবিস্ফোরণ ঘটিয়ে
ক্রমান্বয়ে এ মহাবিশ্বে রূপ নেয়। বিস্ফোরণের পর। মুহূর্তে আলোর কণা ফোটন'
(Photon) ছাড়া কোনাে কিছুর অস্তিত্বই ছিলো না ।
অপরদিকে
বিজ্ঞানীগণ ইউরোপ এবং আমেরিকায় ‘Particales Collider'-এ পদার্থকে ভেঙ্গে অণু, অণুকে ভেঙ্গে পরমাণু,
পরমাণুকে ভেঙ্গে ইলেকট্রন, প্রোটন ও
নিউট্রন এবং প্রোটন ও নিউট্রনকে ভেঙ্গে কোয়ার্ক, অবশেষে
কোয়ার্ককে ধ্বংস করে আলোর কণা ফোটন'কে সনাক্ত করে প্রমাণ
করেন যে, এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির পেছনে মৌলিক যে শক্তিটি
ব্যবহার করা হয়েছে, তা মূলতঃই মহাশক্তিশালী এক প্রকার নূর’
বা ‘আলোকশক্তি।
Comments
Post a Comment